সন্ধান পেতে একদা যে অকালকুট-এর যাত্রা শুরু, তার সন্ধান এখনও অব্যাহত। তার কেবলই পথ-চলা, কেবলই খোঁজা তাকে বাউলের ভাষায়- 'আমার মনের মানুষ যে রে'। সেই সন্ধানেরই অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ ফসল, 'কোথায় পাবো তারে'। রূপে ও অরূপে মেশানো রাঢ়বঙ্গের এ এক বহুবিচিত্র চিত্র। আকাশ, গাছপালা, প্রকৃতি, গ্রাম ও নগর, বিবিধ পুজোপার্বণ, মেলা, নানান সংস্কৃতির নানান মানুষ এই বিশাল, বর্ণময় গ্রন্থে। বাউল, বৈষ্ণব, ফকির, শাক্ত, শৈব্য প্রমুখের রূপের হাটে নিবিড় করে দেখানো কিছু নরনারীর দুঃখ-সুখ-বেদনা-আনন্দের ঘন ও অন্তরঙ্গ কাহিনি। এ বই শুধুই উপন্যাস নয়, তার থেকেও অনেক বড় কিছু।
সেই ১৯৫২ সালে 'কালকূট' ছদ্মনামের জন্ম। নেহাতই তাৎক্ষণিক একটি রচনার প্রয়োজনে। সেই রচনাটির কথা আজ কারও হয়তো মনে নেই। রাজনৈতিক রচনা ছিল সেটি। সাময়িক প্রয়োজন মিটিয়েছিল। কিন্তু 'কালকূট' নামটি বাংলা সাহিত্যে চিরকালীন নাম হয়ে উঠল আরও দু'বছর বাদে। যখন 'অমৃতকুম্ভের সন্ধানে' প্রকাশিত হল। লেখক কালকূটের জন্ম সেই 'অমৃতকুম্ভের সন্ধানে'ই। কালকূটের নিজের ভাষায় বলতে গেলে, 'পুরাণ আর ইতিহাসের স্মৃতি, আর সারা ভারতের মানুষ, তাদের ভাষা পোশাক খাদ্য আর নানান ধর্মীয় আচরণ। মনে হচ্ছে আমি যুগ থেকে যুগান্তের এক লীলাক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছি। এই রূপের মধ্যে আমার চোখে ভেসে উঠছে, হাজার হাজার বছর আগের নানান ঘটনা। যেন এক আবছায়ায় আমি সবাইকে দেখতে পাচ্ছি।' এই দেখা কালকূটের রচনার মধ্য দিয়ে এক মহাদর্শনে পরিণত। সেই ১৯৫২ সালে 'কালকূট' ছদ্মনামের জন্ম। নেহাতই তাৎক্ষণিক একটি রচনার প্রয়োজনে। সেই রচনাটির কথা আজ কারও হয়তো মনে নেই। রাজনৈতিক রচনা ছিল সেটি। সাময়িক প্রয়োজন মিটিয়েছিল। কিন্তু 'কালকূট' নামটি বাংলা সাহিত্যে চিরকালীন নাম হয়ে উঠল আরও দু'বছর বাদে। যখন 'অমৃতকুম্ভের সন্ধানে' প্রকাশিত হল। লেখক কালকূটের জন্ম সেই 'অমৃতকুম্ভের সন্ধানে'ই। কালকূটের নিজের ভাষায় বলতে গেলে, 'পুরাণ আর ইতিহাসের স্মৃতি, আর সারা ভারতের মানুষ, তাদের ভাষা পোশাক খাদ্য আর নানান ধর্মীয় আচরণ। মনে হচ্ছে আমি যুগ থেকে যুগান্তের এক লীলাক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছি। এই রূপের মধ্যে আমার চোখে ভেসে উঠছে, হাজার হাজার বছর আগের নানান ঘটনা। যেন এক আবছায়ায় আমি সবাইকে দেখতে পাচ্ছি।' এই দেখা কালকূটের রচনার মধ্য দিয়ে এক মহাদর্শনে পরিণত।