১৯৩৮-এর ২১শে মে পূজনীয় গুরুদেব প্রথমবার কালিম্পং থেকে মংপু এসেছিলেন। ৯ই জুন পর্যন্ত এখানে কাটিয়ে আবার কালিম্পং ফিরে যান। দ্বিতীয়বার ১৯৩৯-এর ১৪ই মে পুরী থেকে মংপু এসে গ্রীষ্মাবকাশটি কাটিয়ে ১৭ই জুন নাগাদ কলকাতায় নেমে গেলেন। ঐ বৎসরই শরৎকালে ১২ই সেপ্টেম্বর মংপুতে এসেছিলেন এবং দুই মােেসর কিছু অধিককাল থেকে, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে কলকাতা নেমে যান। চতুর্থবার ১৯৪০-এর ২১শে এপ্রিল এখানে আসেন, ২৫শে বৈশাখের উৎসব এখানেই সম্পন্ন হয়, তারপর কালিম্পং যান। সেই বৎসর শরৎকালে আবার আসবার কথা ছিল, সেজন্য তাঁর জিনিসপত্র সবই রেখে গিয়েছিলেন, কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্যবশত আর তাঁর আসা হয়নি। ১৯৪০-এর সেপ্টেম্বরে অসুস্থ শরীরে মংপুর মত ডাক্তারহীন গণ্ডগ্রামে আসা উচিত হবে না বলে প্রথমে কালিম্পং এলেন। কথা ছিল একটু সুস্থ হলে মংপু আসবেন। কিন্তু তা আর হলো না। হঠাৎ দারুণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ২৮শে সেপ্টেম্বর অজ্ঞান অবস্থায় তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হলো।
আমার এই রচনার উপাদান ছিন্ন ছিন্ন পৃষ্ঠায় ইতস্ততভাবে লেখা ছিল, প্রত্যেক দিনের তারিখও দেওয়া ছিল না। সেজন্য বইতে উপযুক্তভাবে তারিখ দিতে পারিনি। ইতিহাস রক্ষা বা সাহিত্য সৃষ্টি কোনোটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল না। অবসর পেলেই আমি তাঁর মুখের কথাগুলি লিখে রাখতাম এবং কাজের মধ্যে মনে মনে আবৃত্তি করে মনে রাখতাম, সে কেবল আমার নিজের আনন্দের জন্যই। আর একটি কথা এখানে জানানো কর্তব্য যে, আমার এই রচনা যদিও তিনি বার বার দেখতে চেয়েছেন, রহস্য করেছেন, কিন্তু কখনো দেখেন নি। যে কথাগুলি নিতান্ত ঘরোয়াভাবে বলেছেন, যেকথা ছাপতে গেলে তিনি হয়তো অন্যভাবে বলতেন, তাও এখানে থাকতে পারে। ঘরের কথা হাটের মাঝখান নিবেদন
১৯৩৮-এর ২১শে মে পূজনীয় গুরুদেব প্রথমবার কালিম্পং থেকে মংপু এসেছিলেন। ৯ই জুন পর্যন্ত এখানে কাটিয়ে আবার কালিম্পং ফিরে যান। দ্বিতীয়বার ১৯৩৯-এর ১৪ই মে পুরী থেকে মংপু এসে গ্রীষ্মাবকাশটি কাটিয়ে ১৭ই জুন নাগাদ কলকাতায় নেমে গেলেন। ঐ বৎসরই শরৎকালে ১২ই সেপ্টেম্বর মংপুতে এসেছিলেন এবং দুই মােেসর কিছু অধিককাল থেকে, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে কলকাতা নেমে যান। চতুর্থবার ১৯৪০-এর ২১শে এপ্রিল এখানে আসেন, ২৫শে বৈশাখের উৎসব এখানেই সম্পন্ন হয়, তারপর কালিম্পং যান। সেই বৎসর শরৎকালে আবার আসবার কথা ছিল, সেজন্য তাঁর জিনিসপত্র সবই রেখে গিয়েছিলেন, কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্যবশত আর তাঁর আসা হয়নি। ১৯৪০-এর সেপ্টেম্বরে অসুস্থ শরীরে মংপুর মত ডাক্তারহীন গণ্ডগ্রামে আসা উচিত হবে না বলে প্রথমে কালিম্পং এলেন। কথা ছিল একটু সুস্থ হলে মংপু আসবেন। কিন্তু তা আর হলো না। হঠাৎ দারুণ অসুস্থ হয়ে পড়লেন, ২৮শে সেপ্টেম্বর অজ্ঞান অবস্থায় তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হলো।
আমার এই রচনার উপাদান ছিন্ন ছিন্ন পৃষ্ঠায় ইতস্ততভাবে লেখা ছিল, প্রত্যেক দিনের তারিখও দেওয়া ছিল না। সেজন্য বইতে উপযুক্তভাবে তারিখ দিতে পারিনি। ইতিহাস রক্ষা বা সাহিত্য সৃষ্টি কোনোটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল না। অবসর পেলেই আমি তাঁর মুখের কথাগুলি লিখে রাখতাম এবং কাজের মধ্যে মনে মনে আবৃত্তি করে মনে রাখতাম, সে কেবল আমার নিজের আনন্দের জন্যই। আর একটি কথা এখানে জানানো কর্তব্য যে, আমার এই রচনা যদিও তিনি বার বার দেখতে চেয়েছেন, রহস্য করেছেন, কিন্তু কখনো দেখেন নি। যে কথাগুলি নিতান্ত ঘরোয়াভাবে বলেছেন, যেকথা ছাপতে গেলে তিনি হয়তো অন্যভাবে বলতেন, তাও এখানে থাকতে পারে। ঘরের কথা হাটের মাঝখান